ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিলের পর বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তৃতীয় দেশে পণ্য রফতানির সক্ষমতা তৈরির পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা সেখ বশির উদ্দিন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি জানান, ভারতের এমন হঠাৎ সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের রফতানি কার্যক্রমে তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না। সরকার রফতানি ও বাণিজ্যিক যোগাযোগে যাতে কোনও ঘাটতি না থাকে, সে লক্ষ্যে বিকল্প ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে।
ভারতের বন্দর ব্যবহার বন্ধ, নতুন পরিকল্পনায় সরকার
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, “ভারতের তিনটি বন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পণ্য ট্রান্সশিপমেন্ট করত। এখন এসব পণ্য পরিবহনের জন্য বিকল্প পথ ও উপায় খোঁজা হচ্ছে। এ চ্যালেঞ্জ দ্রুত মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে হলে রফতানিকারকদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এ বিষয়েও সরকার কাজ করে যাচ্ছে।”
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ স্থগিত: ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি
এ সময় যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক বাংলাদেশি পণ্যে বাড়তি শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত তিন মাসের জন্য স্থগিত রাখার বিষয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, “এই সিদ্ধান্ত দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান শুল্কসংক্রান্ত সমস্যার সমাধানকে আরও সহজ করবে। এতে করে রফতানিকারকদের জন্য স্বস্তি ফিরে আসবে।”

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন